সবার সাথে মিলেমিশে সবাইকে সমান তালে প্রাধান্য দিয়ে নিজের কলিজা পিসপিস করে কেটে যারা জীবন কাটাতে চায় দেখবেন এদের মূল্যায়নের প্রাইসিং ভ্যালু জায়গা ভেদে সবচেয়ে কম থাকে। ইভেন আমরা নিজের অজান্তেও আশেপাশে থাকা এমন মানুষদের দাম কম দেই।
কম দাম বলতে একটু ভেঙ্গে বলি, ধরেন আপনি অনেক আত্বীয়স্বজন দাওয়াত করলেন। সেখান থেকে আপনার এমন দু-চারজন স্বজন থাকবে যে এসেই আপনার রান্নাঘরে ঢুকবে, কাজে হেল্প করবে, আপনার হাসির অংশ হবে, দুঃখেরও ভাগীদার হবে। তাকে আপনি সহসা আলাদা করে দাওয়াত দিয়ে খাওয়ান না। চিন্তা করেন, আরে ধুর, ও তো কিছু মনে করে না, দোষ ধরে না। ওকে নিয়ে এতো চিন্তা নাই।
আপনি চিন্তায় পরে যান পরিবারের সবচেয়ে দোষ ধরা, নাক উঁচু, ব্যস্তজীবি, ক্ষেত্র বিশেষে একটু ধনী স্বজনকে নিয়ে। এরা আপনার বাড়ীতে এলেও তটস্থ হয়ে পরেন খুব। পান থেকে যেনো চুন না খসে, নজর রাখেন কিন্তু যে সবসময় আমাদের কমফোর্ট ফিল দেয় যে, সে আমার ঘরেরই লোক, কিচেনের কাজের সংগী, ক্রাইসিস মোমেন্টের প্রথম Call.
উনাদের প্রতি সচরাচর এক্সক্লুসিভ আগ্রহটা থাকে না আমাদের, খেতে বসলে ভাত বেড়ে দেয়া লাগে না তাদের। পছন্দ অপছন্দের খোজটাও জানিনা। বেশি আপন ভাবার ফাকেঁ বাস্তবিকভাবে গুরুত্বটাই কম দেই আমরা তাদের। হিসেবে যাদের প্রাইজিং ভ্যালু আমাদের কাছে বেশি হওয়ার কথা, অতি নমনীয়তার ফলে সে আমাদের কাছ থেকে তার প্রাপ্য ভ্যালু টাই আদায় করতে পারে না।
গুরুত্বের এই প্যারামিটার গুলা অনেক আগে থেকেই পরিবার তথা সমাজ আমাদের মাঝে অদৃশস্যভাবে তৈরি করে দিয়েছে।
এসব প্যারামিটার থেকে বের হওয়া কঠিন।
কেউ কেউ হতে পেরেছে/হয়। কেউ কেউ হয় না আজীবনেও।
কাঠাঁল আমার অতি প্রিয় ফল। প্রাইজিং ভ্যালু আমার কাছে পাউন্ডের হিসাব, ডলারও না, টাকা তো দূর।
আপনাদের সুখ কিসে?
0 Comments