টয়লেট কথন

 টয়লেট এর ভিতরের নানান ধরনের আজব ইতিহাস রচনা!

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের একটা হলের টয়লেটের দেয়ালে লেখা ছিল,

"আপনার হাগু আপনার সম্পদ, দয়া করে অন্য কারো জন্য ফেলে রেখে যাবেন না!"

ঢাকার চারুকলা একাডেমীর টয়লেটের দরজায় লেখাছিল,

"আপনার ত্যাগকৃত মল কোনো শিল্পকর্ম নয়, তাই ইহা অন্যকে প্রদর্শনের জন্য রেখে যাবেন না!"

'৯০ এর দশকে নটরডেম কলেজে একটা টয়লেটের ওয়ালে লেখা ছিল "ওহে মহাজ্ঞানী, মুতিয়া লইয়ো পানি!"

সিলেটের একটা স্কুলের টয়লেটের দেয়ালে কমোডের ঠিক উপরে লেখা ছিল,

"তুই যে লাটের বেটাই হইস না ক্যান? আমার সামনে আসলে তোর পায়জামার ফিতা খুলা লাগবেই।"

ঢাকায় একটা সরকারি অফিসের টয়লেটের ওয়ালে লেখা ছিল,

"ভোগে নয়, ত্যাগেই শান্তি!"

পুরানো ঢাকার এক টয়লেটের ওয়ালে লিখা ছিল

কুকুর দাঁড়িয়ে টয়লেট করে।

আরেকটা পাবলিক টয়লেটের ওয়ালে কে যেন লিখে রেখে ছিল,

“ডানে দেখুন, তারপর ডানে তাকালে বামে দেখুন, বামে তাকালে লেখা থাকতো পিছনে দেখুন, পিছনে তাকালে লেখা থাকতো, ঐ মিয়া টয়লেটে বইসাও এতো মোচড়া মুচড়ি করেন কেন?”

কোন একটা শপিং মলের টয়লেটের দরজায় এমনটা লেখা ছিল,

"যাহা ফেলিয়া যাচ্ছেন উহা নিদান্ত ও একান্তই আপনার ব্যক্তিগত সম্পদ। হইলে সঙ্গে করিয়া নিয়া যান, না হইলে এক বদনা পানি ঢালিয়া যান!"

সেই অনেক আগে একটা ভার্সিটির হলে নতুন কমোড বসানো হয়েছিল, তো সেখানে আদি বাঙালী কমোড ব্যাবহার করা ছাত্ররা সেটা সঠিক ভাবে ব্যাবহার করতে পারতো না, তো একদিন কর্তৃপক্ষ টয়লেটের দরজায় লিখে রাখলো, "আপনি যদি পা ঝুলাইয়া বসিয়া, আমার এই লেখা স্বাচ্ছন্দে পড়িতে পারেন, তার মানে আপনি সঠিক অবস্থানেই বসিয়াছেন!

ঢাকা মেডিকেল কলেজের এক ছাত্রাবাসের টয়লেটের সামনে লিখা ছিলো, "টয়লেট কি তর বাপের ঢুকলে আর বাইর হইতে চাস না!'

জগন্নাথ হলের প্রস্রাবখানাতে লেখা ছিল "এখানে দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করা নিষেধ।" - ইতি বিটলা

তার নিচে লেখা "কেন দাঁড়াইয়া প্রস্রাব করলে কি তোর বাপ- দাদার মুখে পড়বে?"

ইতি- বিটলার বাপ!

রেলওয়ে কর্তৃপক্ষকে একজন যাত্রী টুইট করেছেঃ

"আপনাদের ট্রেনের অন্য সব সার্ভিসের কথা নাই বা বললাম, টয়লেটের বদনাটি যে শেকলে বাঁধা তা একটু লম্বা রাখলে বদনাটি 'মঞ্জিলে মাকসুদে' সহজেই পৌঁছাতে পারতো।

টুইটের জবাবঃ

বদনাটি বাঁধা আছে আপনি তো আর বাঁধা নেই!

'মঞ্জিলে মাকসুদকে' একটু টেনে বদনার কাছে আনলেই তো হয়।

Post a Comment

0 Comments